নিজস্ব প্রতিবেদক, সোনারগাঁও নিউজ :
মসজিদ কমিটির সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বি হওয়ায় প্রতিপক্ষ তাজুল ইসলামের হাত ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইকবাল নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এমন কি ভুক্তভোগী তাজুল কোন রাজনীতির সাথে জড়িত না থাকলেও শুধুমাত্র হয়রানী করতে যুবলীগের নেতা বানিয়ে প্রচার করছে একই এলাকার তাইজউদ্দিনের ছেলে ইকবাল হোসেন। ঘটনাটি সোনারগাঁওয়ে মোগরাপাড়া ইউনিয়নের কাবিলগঞ্জ গ্রামে।
ভুক্তভোগী তাজুল ইসলাম জানান, গত ১৫ জুন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তাজুল ইসলাম কাবিলগঞ্জ গ্রামের জুয়েল ও রাকিব নামে দুই ভাইয়ের প্রবাসী জীবন ব্যবস্থার খোঁজ-খবর নেন প্রবাসীদের ভাই মাসুমের কাছ থেকে। এ সময় একই গ্রামের মৃত তাইজুদ্দিনের ছেলে ইকবাল তার বাড়ির সামনে গিয়ে তাজুল-ইকবালের বাবা তাইজুদ্দিনকে গালাগালি করছে এমন মিথ্যা অপবাদ তুলে তাজুলকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করতে থাকে। এসময় তাজুল ইকবালের সামনে গিয়ে তাকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দের কারণ জানতে চাইলে দু’জনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরবর্তী হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
এ সময় ইকবাল তার হাতে থাকা এসএস পাইপ দিয়ে তাজুলের মাথায় জোরে আঁঘাত করলে তাজুল ইসলাম তাজু সে আঁঘাত হাঁত দিয়ে ফেরাতে গেলে তাজুর হাঁতটি ভেঙে যায়।
তাজুল ইসলাম আরো জানায়, তাদের গ্রামের মসজিদের একটি জমি নিয়ে তাজুদের সাথে ইকবালদের দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলছিল। এছাড়া, সম্প্রতি গ্রাম পঞ্চায়েতের সিদ্ধান্তে তাদের গ্রামে একটি মসজিদ নির্মাণের দেখবাল করেছে তাজুল। সেই মসজিদের হিসাব-নিকাশও কাজ শেষে পঞ্চায়েতের কাছে বুঝিয়ে দিয়ে সে তাজুল সরে আসে। কিছুদিন আগে ইকবালের বাবা মারা যাওয়ায় মসজিদের সভাপতির পদটি খালি হয়। তাজু জানায়, ইকবালের ইচ্ছা তার বাবার স্থানটিতে ইকবাল বসবে। কিন্তু তার বয়স কম হওয়ায় এবং এলাকার বিতর্কিত থাকায় তার চেয়ে যোগ্য ব্যক্তিকে সভাপতি করতে বেশিরভাগ মানুষ ইকবালের বিরোধীতা করে।
এদিকে, ইকবালের বিরুদ্ধে মুসল্লীদের লেলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ তুলেন এবং মসজিদের জমি ইকবালরা দিয়েছে দাবি করেন বলে তাজুল জানান।
তিনি আরো জানায়, সমাজের সকলেই জানেন-মসজিদের জমি এককভাবে ইকবালের বাবা তাইজউদ্দিন দেননি। সে জমি তাইজুদ্দিন, তাজু-তার ভাই সাজু এবং তাদের চাচাতো ভাইরা দান করেছেন। এখনো মসজিদের জমিটি মসজিদের নামেও দেওয়া হয়নি। এর মধ্যে ইকবালের বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে মসজিদ কমিটির সভাপতি হওয়ার জন্য ইকবাল উঠে পড়ে লেগেছে। তাজুলের প্রশ্ন, একটি মসজিদের সভাপতি হওয়ার জন্য মারামারি কেন করতে হবে? মারামারি করে সভাপতি হওয়ার পিছনে অবশ্যই কোন খারাপ উদ্দেশ্য আছে বলে তিনি দাবি করেন।
তাজুল আরও বলেন, আমি জীবনে কোন রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলাম না। আমি রাজনীতির সাথে জড়িত কোন প্রমাণ কেউ দেখাতে পারলে যেকোন বিচার মাথা পেতে নিব। অথচ, আমি যুবলীগের নেতা এমন মিথ্যা তথ্য প্রচার করছে প্রতিপক্ষ।
তার দাবি, শুধুমাত্র তাকে হয়রানি করতেই যুবলীগের এমন মিথ্যা ট্যাগ লাগিয়ে প্রচার করা হচ্ছে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত পূর্বক ন্যায় বিচার প্রত্যাশা করেন।
আপনার মতামত দিন