জাতীয়

সোনারগাঁওয়ে ঐতিহাসিক পানাম নগরী ও  লোকশিল্প জাদুঘর পরিদর্শনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত

সোনারগাঁও নিউজ ১৯ অক্টোবর ২০২৬ , ১০:৩৬ এএম প্রিন্ট সংস্করণ

নিজস্ব প্রতিবেদক, সোনারগাঁও নিউজ :
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে ঐতিহাসিক পানাম নগরী ও বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন (জাদুঘর) পরিদর্শন করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন।

সোমবার সকালে তিনি সোনারগাঁওয়ের এ দুটি ঐতিহাসিক স্থাপনা পরিদর্শন করেন। এছাড়াও বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের কারুপল্লীতে অবস্থিত জামদানী পল্লী পরিদর্শন করেন। সোমবার সকাল সাড়ে ৮ টায় তিনি প্রথমে তার প্রতিনিধি দল নিয়ে ঐতিহাসিক পানাম নগীর বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করে। পরে সকাল ৯টার দিকে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন পরিদর্শন করেন। তিনি ফাউন্ডেশনের কারুপল্লীতে গিয়ে কারুশিল্পীদের সাথে কথা বলেন এবং কারুশিল্পীদের কমযজ্ঞ দেখেন।

তিনি কারুশিল্পী সোনারগাঁওয়ের নকশিকাথা শিল্পী হোসনেয়ার নকশিকাথা, বেত ও বাঁশ শিল্পী পরেশ চন্দ্র দাস কারুপণ্য, দারুশিল্পী আশুতোষ কর্মকারের এক কাঠের ঘোড়া শিল্প ও আবু তাহেরের জামদানী শিল্প পর্যবেক্ষণ করে ভূয়সী প্রশংসা করেন।

এসময় মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতিনিধি দলে ছিলেন তার ব্যক্তিগত দেহরক্ষী দেলোয়ার হোসাইন, রাজনৈতিক কর্মকর্তা  অ্যালিস কেনেডি, দূতাবাসের মুখপাত্র পূর্নিমা রায়, নিরাপত্তা কর্মকর্তা অ্যারিক ওয়েলস, মার্কিন এম্বাসির ফরেন সার্ভিস ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেটর শেখ শিবলী । এছাড়াও বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের পরিচালক কাজী মাহববুল আলম, পানাম নগরীর সহকারী কাস্টুডিয়ান তানজিলুর রহমান, সোনারগাঁও থানার ওসি মহম্মদ আব্দুল বারিকসহ বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন ও পানাম নগরীর কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের পরিচালক কাজী মাহববুল আলম বলেন, মার্কিন রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের জামদানী পল্লী ঘুরে জামদানী শিল্পীতের হাতের বুনতে তৈরি জামদানী শাড়ির কারুকাজ দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। সময় স্বল্পতার কারনে বড় সরদার বাড়ি ও ফাউন্ডেশনের জাদুঘরে প্রবেশ করেননি। পরবর্তীতে আবারও এখানে আসবেন বলে জানিয়েছেন।

পানাম নগরীর সহকারী কাস্টুডিয়ান তানজিলুর রহমান বলেন, অল্প সময় মার্কিন রাষ্ট্রদূত পানাম নগরীতে অবস্থান করেন। তিনি তার পরিবার নিয়ে পানাম নগরী ঘুরতে এসেছেন। বলা যায়, এটা একটা পারিবারিক সফর। তিনি ৩৩ নম্বর ভবন থেকে শুরু করে পানাম নগরীর বিভিন্ন ভবন ঘুরে দেখেন। পানাম নগরীর পরিবেশ ও পরিচ্ছনতা নিয়ে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।