অপরাধ

সোনারগাঁওয়ে বাবা-ছেলেসহ তিনজনকে পিটিয়ে জখম, থানায় অভিযোগ

সোনারগাঁও নিউজ ১৮ অক্টোবর ২০২৬ , ১১:২৫ এএম প্রিন্ট সংস্করণ

নিজস্ব প্রতিবেদক, সোনারগাঁও নিউজ :
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে বাবা-ছেলেসহ তিনজনকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আপন ভাইসহ চারজনের বিরুদ্ধে সোনারগাঁও থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। রোববার দুপুরে ভুক্তভোগী অহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে এ অভিযোগ দায়ের করেন। এর আগে গত ১২ অক্টোবর সোমবার উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের ভিটিপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
এদিকে অহিদুল ইসলামের অভিযোগ, তাঁর বাবা জাবেদ আলীকে মারধরের ঘটনায় থানায় অভিযোগ দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিপক্ষের লোকজন তাঁদের ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছিলেন।
সোনারগাঁও থানায় দায়ের করা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১২ অক্টোবর সোমবার সকাল পৌনে আটটার দিকে উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের ভিটিপাড়া গ্রামে অহিদুল ইসলামের বসতঘরের সামনে লাঠিসোঁটা, দা, ছুরি ও শাবল নিয়ে যান অভিযুক্ত আব্দুল হালিম ও তার পরিবারের লোকজন ।  তাঁরা অহিদুলকে গালিগালাজ করেন। এ সময় অহিদুলের ছেলে আলভী (১৭) প্রতিবাদ করলে তাঁকে পিটিয়ে  মারধর করা হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, এ সময় অভিযুক্ত আবদুল হালিম শাবল দিয়ে আলভীর মাথায় আঘাত করেন। এতে তাঁর মাথা ফেটে যায়। ছেলেকে রক্ষা করতে অহিদুল (৩৮) ও তাঁর স্ত্রী আফরিন (৩২) এগিয়ে এলে তাঁদেরও মারধর করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময় আব্দুল হালিমের ছেলে আবু সিদ্দিক ছুরি দিয়ে অহিদুলের বাম চোখের ওপর আঘাত করেন। এতে ওই স্থানে কেটে রক্তাক্ত জখম হয়। এ ছাড়া আবদুল হালিমের  আঘাতে তাঁর বাম কানেও গুরুতর জখম হয়েছে বলে অভিযোগ করেন অহিদুল। পরে তাঁদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা খুন-জখমের হুমকি দিয়ে চলে যান। পরে স্বজনেরা অহিদুল ও তাঁর ছেলে আলভীকে উদ্ধার করে সোনারগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা করান।
অহিদুল ইসলামের দাবি, তাঁর বাবা থানায় অভিযোগ করায় প্রতিপক্ষের লোকজন তাঁদের ওপর হামলা চালিয়েছেন। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করার কারণে থানায় লিখিত অভিযোগ দিতে কিছুটা দেরি হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত আবদুল হালিমের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তাঁকে ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েও সাড়া পাওয়া যায়নি।
সোনারগাঁও থানার ওসি মহম্মদ আব্দুল বারিক বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।