নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে দীর্ঘ ৭ বছর ধরে রাস্তার ভোগান্তি দূর করলো সমাজ সেবক চেয়ারম্যান প্রার্থী হাজী গোলজার প্রধান। তিনি উপজেলার জামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী। তিনি এ ইউনিয়নে দীর্ঘদিন ধরে সমাজ সেবা করে আসছেন।
জামপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের দীর্ঘ ৭ বছর ধরে এ রাস্তার ভোগান্তি দূর করতে নিজস্ব অর্থায়নে প্রায় ৭০০ মিটার রাস্তার কাজ করে দিয়েছেন। কালারটেক থেকে বাসাবো তিলাব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত এ রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী থাকায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল স্থানীয় বাসিন্দাদের। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে রাস্তাটির বিভিন্ন অংশে পানি ও কাদার কারণে ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘ প্রায় ৭ বছর ধরে রাস্তাটি সংস্কারের অভাবে এলাকার মানুষের চলাচলে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়। বিষয়টি তারা হাজী গোলজার প্রধানকে অবহিত করলে তিনি রাস্তাটি সরেজমিনে দেখে মানুষের দুর্ভোগের বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করেন। পরে জন সাধারণের চলাচলের সুবিধার্থে হাজী গোলজার প্রধান নিজস্ব অর্থায়নে কালারটেক থেকে বাসাবো তিলাব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত প্রায় ৭০০ মিটার রাস্তার কাজ শুরু করেন। বর্তমানে রাস্তার কাজ সম্পন্ন হওয়ায় দীর্ঘদিনের ভোগান্তি থেকে স্বস্তি পেয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় বাসিন্দারা আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটি নিয়ে আমাদের দুর্ভোগের শেষ ছিল না। বর্ষাকালে কাদা ও পানি জমে চলাচল আরও কঠিন হয়ে পড়ত। হাজী গোলজার প্রধান রাস্তাটি সরেজমিনে দেখে আমাদের সমস্যার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে নিজস্ব অর্থায়নে কাজটি করে দিয়েছেন। এতে আমাদের চলাচলের দুর্ভোগ অনেকটাই কমেছে।
তারা আরও বলেন, এই রাস্তা দিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি শিক্ষার্থী, শিক্ষকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ নিয়মিত চলাচল করেন। রাস্তার কাজ সম্পন্ন হওয়ায় বিশেষ করে তিলাব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের চলাচলেও সুবিধা হয়েছে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, রাস্তাটির উন্নয়ন কাজের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর হওয়ার পাশাপাশি এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সহজ হবে।
জামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী হাজী গোলজার প্রধান বলেন, এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের কথা জানতে পেরে আমি রাস্তাটি সরেজমিনে দেখে বিষয়টি বিবেচনা করি। মানুষের চলাচলের কষ্টের কথা চিন্তা করে কালারটেক থেকে বাসাবো তিলাব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত প্রায় ৭০০ মিটার রাস্তার কাজ নিজস্ব অর্থায়নে করে দিয়েছি। ভবিষ্যতেও এলাকার মানুষের যেকোনো প্রয়োজন ও দুর্ভোগে পাশে থাকার চেষ্টা করব।
আপনার মতামত দিন