নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান বলেছেন, বিএনপির চেয়ারপারসন এবং সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর রাজনৈতিক অবদান ও আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতিটি পদক্ষেপে তিনি যে হিমালয়সম দৃঢ়তার নজির স্থাপন করেছেন, তা অতুলনীয়। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে দীর্ঘদিন কারাবাস ও অসুস্থতার মধ্যেও তিনি কখনো জনগণের অধিকার নিয়ে আপস করেননি। দেশ ও জাতির কল্যাণে তাঁর এই ত্যাগের ঋণ এ দেশের মানুষ কখনো শোধ করতে পারবে না।
শনিবার (১৫ আগস্ট) দিনব্যাপী উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় বেগম জিয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় অনুষ্ঠানগুলোতে উপস্থিত ছিলেন, সংসদ সদস্যের রাজনৈতিক সচিব ও জেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক খাইরুল ইসলাম সজিব, সোনারগাঁও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন, সহ-সভাপতি কাজী নজরুল ইসলাম টিটু, সহ-সভাপতি আল মুজাহিদ মল্লিক, যুগ্ম সম্পাদক আতাউর রহমান, পৌরসভা বিএনপির সভাপতি হাজী শাহজাহান মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মোতালেব মিয়া, সাদিকুর রহমান সেন্টু, যুগ্ম আহবায়ক নুরে ইয়াসিন নোবেল, কাউসার আহমেদ, হযরত আলী রানা,সোহেলসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্যের রাজনৈতিক সচিব ও জেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক খাইরুল ইসলাম সজিব তাঁর বক্তব্যে বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজীবন দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করে গেছেন। তাঁর ত্যাগের আদর্শ আমাদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রধান অনুপ্রেরণা। আওয়ামী স্বৈরাচারী সরকার দেশকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছিল এবং জনগণের ওপর অকথ্য নির্যাতন চালিয়েছিল। দেশের এই সংকটময় মুহূর্তে বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মীকে সাধারণ জনগণকে সঙ্গে নিয়ে যেকোনো স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিস্ট শক্তির অপতৎপরতা রুখে দাঁড়াতে হবে।
সভাস্থলগুলোতে আলোচনা সভা শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। পরে উপস্থিত নেতাকর্মী ও মুসল্লিদের মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়।
আপনার মতামত দিন