শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০৭:২৪ পূর্বাহ্ন
মামলায় জামপুর ইউনিয়নের মাঝের চর সিএনজি অটোরিকশা স্ট্যান্ডের লাইনম্যান জাকির হোসেন, দাইয়ান ও রানা, আরিফসহ ৭জনের নাম উল্লেখসহ আরও পাঁচজনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।
মামলার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সম্পাদক ও চর নোয়াগাঁও গ্রামের শফেদ আলী ভূঁইয়ার ছেলে নজরুল ইসলাম ২৫ জানুয়ারী বৃহস্পতিবার বিকেলে রূপগঞ্জের ভূলতা গাউছিয়া এলাকায় ব্যবসায়ের কাজে যাচ্ছিলেন। পথে জামপুর ইউনিয়নের মাঝের চর বাস স্ট্যান্ডে গাউছিয়া যাওয়ার জন্য সিএনজি অটোরিক্সায় উঠেন। দীর্ঘ সময় কোন যাত্রী না উঠার কারনে তিনি নেমে অন্য আরেকটি গাড়িতে যাওয়ার জন্য চেষ্টা করেন। এসময় সিএনজি অটোরিক্সা থেকে নেমে যাওয়ার সময় সিএনজি অটোরিক্সার লাইনম্যান জাকির হোসেন ও অটো চালকের সাথে তর্ক বিতর্ক ও ধ্বস্তাধস্তি হয়। এক পর্যায়ে লাইনম্যান জাকির ও দাইয়ানের হাতে থাকা লাঠি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে। এসময় জাকির ও দাইয়ানের সঙ্গে স্ট্যান্ডের অন্যান্য অটোচালকরা তাকে কিল ঘুষি দিয়ে মারধর করে। তাদের পিটুনিতে ঘটনাস্থলে অজ্ঞান হয়ে পড়লে তাকে আড়াই হাজার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষনা করেন।
সোনারগাঁও থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মহসিন বলেন, যুবলীগ নেতা হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামী জাকির হোসেনসহ দুইজনকে র্যাব-১১ গ্রেপ্তার করে থানায় হস্তান্তর করেছেন। তাদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
আপনার মতামত দিন