Warning: Creating default object from empty value in /home/sonarga1/public_html/wp-content/themes/newsfresh/lib/ReduxCore/inc/class.redux_filesystem.php on line 29
পেঁয়াজের বিকল্প চাইভ! পেঁয়াজের বিকল্প চাইভ! – সোনারগাঁওনিউজ

বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০২:৫৯ অপরাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ
       
শিরোনাম :
জামপুরে হুমায়ুন চেয়ারম্যান এর উদ্যাগে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন পালন  ইউপি সদস্যদের নিয়ে কেক কেটে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন পালন করেন এমপি খোকা ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমান মাসুমের উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন পালন এরফান হোসেন দীপের উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন পালন সোনারগাঁওয়ে দলিল লিখক হত্যা মামলায় প্রধান আসামী পরকীয়া প্রেমিক গ্রেফতার শেখ হাসিনার জন্মদিনে সোনারগাঁওয়ে মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও হাসপাতালের রোগীদের মাঝে খাবার বিতরণ ইলেক্ট্রিক শর্ট ও বালতিতে চুবিয়ে হত্যা, আদালতে স্ত্রীর স্বীকারোক্তি বারদীতে ইউপি সদস্যের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ তালা প্রতীক  পেয়ে আবু নাইম ইকবালের সমর্থকদের আনন্দ উল্লাস    কাঁচপুরে পরকীয়ার জেরে দলিল লিখককে হত্যা, স্ত্রী আটক

পেঁয়াজের বিকল্প চাইভ!

নিউজ ডেস্ক , সোনারগাঁও নিউজ :

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউটের মসলা গবেষণা কেন্দ্র বলছে, চীন থেকে আনা চাইভের একটি জাত এখন কৃষকদের মাঝে বিতরণ করা হচ্ছে। তাদের মতে, চাইভই হয়ে উঠতে পারে পেঁয়াজের বিকল্প।

কেন্দ্রের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ নুর আলম চৌধুরী বলছেন, বাংলাদেশে পেঁয়াজের সঙ্কট মোকাবিলায় চাইভ হতে পারে সবচেয়ে কার্যকরী একটি ফসল।
‘সবজিতে পেঁয়াজের পাতা কিংবা মাছের চচ্চড়িতে যেভাবে পেঁয়াজ ব্যবহার করা হয় সেখানে অনায়াসেই চাইভ ব্যবহার করা সম্ভব। স্যুপ আর সালাদে এখনি ব্যাপক চাহিদা আছে এই চাইভের। ফলে বাংলাদেশে এর সম্ভাবনাও ভালো বলে আমরা মনে করছি,’ বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন তিনি।

যদিও সিলেট ছাড়া পাহাড়ি কিছু এলাকার অধিবাসীদের মধ্যে আগে থেকেই স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত চাইভ ব্যবহারের প্রচলনও আছে।

তবে যেসব এলাকায় পেঁয়াজ বেশি উৎপাদন হয় সেখানে এই চাইভ উৎপাদনের সম্ভাবনা বেশি বলে বলছেন নুর আলম চৌধুরী।

তিনি বলছেন, রোগ বালাই কম হওয়া আর উৎপাদন খরচ কম হওয়ায় কৃষকদের জন্যও এটি সামনে লাভজনক ফসল হয়ে উঠবে বলে আশা করছেন তারা।

চাইভ আসলে কী?

ঢাকার রেস্তোরাঁয় স্যুপ পরিবেশনের পর দেখা যায় স্যুপের বাটিতে লম্বাটে ধরণের এক ধরণের সবজি থাকে, যেটি কৃষিক্ষেত্রে মসলা জাতীয় ফসল চাইভ হিসেবেই পরিচিত।

আবার চাইনিজ রেস্তোরাঁগুলোতে অনেক খাবারেই এটি দেখা যায়। এর স্বাদ অনেকটা পেঁয়াজ পাতার মতো।
সরকারের কৃষি তথ্য সার্ভিস বলছে, এর উৎপত্তিস্থল সাইবেরিয়া-মঙ্গোলিয়া-নর্থ চায়না অঞ্চল। দেশে অনেকে পেঁয়াজ ও রসুনের বিকল্প হিসেবে অনেকে ব্যবহার করলেও এর বহুল ব্যবহার স্যুপ আর সালাদের সাথে।

ঢাকার বেইলি রোডের একটি রেস্তোরাঁর বাবুর্চি নাজমুল ইসলাম বলছেন, এটি স্যুপের স্বাদ বাড়িয়ে দেয় বলেই সবাই পছন্দ করে।

‘আমরা সাধারণত আমদানি করা চাইভ ব্যবহার করি। চীন থেকেই বেশি আসে এটি আমাদের দেশে,’ বলছিলেন নুর আলম ইসলাম।

তিনি বলছেন, পেঁয়াজ ব্যবহৃত হয়, এমন সব খাবারেই পেঁয়াজের বিকল্প হিসেবে এটি ব্যবহার করা যায়।

কীভাবে আবাদ শুরু হলো বাংলাদেশে

ড. মোঃ নুর আলম চৌধুরী বলছেন, সিলেট অঞ্চলে আর কিছু পাহাড়ি গোষ্ঠীর মধ্যে আগে থেকে এর প্রচলন থাকলেও সেটি খুব সীমাবদ্ধ আকারে। আর অন্য এলাকায় সেগুলো খুব একটা ফলপ্রসূ হয়নি।

‘আমরা ২০১৪ সালে চীন থেকে এর জার্মপ্লাজম নিয়ে এসেছি। পরে তিন বছর বাংলাদেশে ট্রায়াল দিয়ে সফলতা পেয়েছি। এরপর তা কৃষকদের মধ্যে বিতরণ শুরু হয়েছে। এখনো উল্লেখযোগ্য না হলেও আস্তে আস্তে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে,’ বলছিলেন তিনি।

তিনি বলেন, বছরে একবার আবাদ করলেই এ থেকে ফল পাওয়া যায় বলে সারা বছর এটি আবাদের প্রয়োজন হয় না।

‘এর পাতা হবে সারা বছর। মাটির নিচের অংশে পেঁয়াজের চারার আকৃতির হয় কিন্তু উপরের দিকে ২০ থেকে ৪০টি পর্যন্ত পাতা হয়ে থাকে একটি থেকে। ৩০-৪০ সেমি. উচ্চতার গাছে প্রতিটি পাতার দৈর্ঘ্য হয় ২৩-৩০ সেমি.। আবার বারবার এই পাতা নিয়ে ব্যবহার করা যায়। ফলে এর খরচও খুব কম।’

সরকারের কৃষি তথ্য সার্ভিস বলছে, এটি সারা বছরই চাষাবাদ করা সম্ভব এবং এর মধ্যেই চাইভের উচ্চফলনশীল একটি জাত উদ্ভাবন করে বিতরণ শুরু করেছে কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট।

কোন মাটিতে বেশি হয় চাইভ

কৃষি তথ্য সার্ভিস বলছে, পাবনা, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, মেহেরপুর, রাজশাহীসহ যেসব এলাকায় পেঁয়াজ বেশি হয় সেখানেই এই চাইভের সম্ভাবনা বেশি।

সাধারণত সেচ ও পানি নিষ্কাশনের সুবিধা আছে এবং জৈব পদার্থ সমৃদ্ধ বেলে দোআঁশ মাটি চাইভ চাষের জন্য বেশি উপযুক্ত।
এছাড়া বৃষ্টিপাত আর ২৫ ডিগ্রির নিচের তাপমাত্রাকে এর জন্য অনুকূল বলে মনে করা হয়।

ড. মোঃ নুর আলম চৌধুরী বলেন, চাইভ চারা রোপণের পর ঠিকমতো পানি দেয়াসহ দরকারি পরিচর্যা করলে ভালো ফলন পাওয়া যায়।

‘এর রোগ বালাই খুব কম। আর পোকাও খুব এটা আক্রমণ করে না। তাই চাইভ চাষে খরচও অনেকটা কম।’

সাধারণত চারা লাগানোর ৬০-৭০ দিনের মধ্যে ফসল পাওয়া যায় এবং একবার রোপণ করে বছরে ৫/৬ বার ফসল সংগ্রহ করা যায় বলে বলছেন নুর আলম চৌধুরী।

সূত্র : বিবিসি

 

পোস্টটি শেয়ার করুন

আপনার মতামত দিন

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Recent Comments

No comments to show.
© All rights reserved © Sonargaonnews 2022
Design & Developed BY N Host BD