নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। নিহত যুবকের নাম শরীফুল ইসলাম (৩২)। ঘটনার পর ছিনতাইকারী শাহ আলম(৪৫)কে স্থানীয় গ্রামবাসী রক্তমাখা ছুরিসহ আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে সোনারগাঁও পৌরসভার হাতকোপা মেন্দিভিটা এলাকায় এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে।
নিহত শরীফুল ইসলাম চাঁদপুর জেলার দেবপুর ইউনিয়নের চতন্তর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে। সে মেন্দিভিটা এলাকার একটি ফার্নিচার দোকানের কর্মচারী। ছিনতাইকারী শাহ আলম সোনারগাঁও পৌরসভার অনন্ত মুছা এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে। এ ঘটনায় সোনারগাঁও থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এলাকাবাসী জানায়, সোনারগাঁও পৌর এলাকার হাতকোপা মেন্দিভিটা এলাকায় ঐতিহাসিক গ্রান্ডট্যাঙ্ক রোডের পাশে আয়েশা আমজাদ ক্লিনিকের সামনে রাত ১০ টার দিকে শরীফের মোবাইলে ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে ছিনতাইকারী শাহ আলম। এসময় শরীফুল তার মোবাইল না দেয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে গলায় ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরবর্তীতে আহত শরীফুলের ডাকচিৎকারে লোকজন এগিয়ে এসে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যায় আহত শরীফুল। ঘটনার পর এলাকাবাসী ছিনতাইকারীকে শাহ আলমকে ধাওয়া করে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ছিনতাইকারী শাহ আলমকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, মোগরাপাড়া থেকে বারদি সড়কে প্রায়ই ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে থাকে। রাত গভীর হতে থাকলে ছিনতাইকারীরা এ পথে ওৎ পেতে থাকে। মানুষের টাকা পয়সা স্বর্ণলংকার, মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে যায়। সোনারগাঁও থানা থেকে মাত্র ৩ শ’ মিটারের মধ্যে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে এ যুবক নিহত হন। বিষয়টি এলাকাবাসীকে ভাবিয়ে তুলেছে।
সোনারগাঁও থানার ওসি মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান সোনারগাঁও নিউজকে জানান,শরীফুল ইসলাম নামের এক যুবককে গলায় ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় ছিনতাইকারী শাহ আলমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধিন রয়েছে।
আপনার মতামত দিন